Monday, December 06, 2010

গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগঃ রাজধানীতে এক ভাইয়ের দণ্ড, অন্যজনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মামাতো ভাই নূর উদ্দীনকে (৪৮) তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফুফাতো ভাই সোহেলের (২৬) বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাঁকে বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ রায় দেন।
সোহেলের দাবি, বাড়ির ভাড়াটে ওই নারীকে তাঁরা উত্ত্যক্ত করেননি, বাসা ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। এরই জের ধরে ওই নারী ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী নারী আদালতকে জানান, সোহেল তাঁকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন, বাসায় ঢুকে কুপ্রস্তাবও দেন। রাজি না হওয়ায় তিনি তাঁকে গালাগাল করেন। বিষয়টি নূর উদ্দীনকে জানানো হলে তিনিও তাঁকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করেন।
তবে নূর উদ্দীন বলেন, বাসা ছেড়ে না দেওয়ায় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি মহিলাকে গালাগাল করেছেন। আদালত তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।
আজ সকাল নয়টার দিকে বনশ্রীর ব্লক বি-এর ২ নম্বর সড়কের ওই বাড়িটির নিচতলায় আদালত বসেন। সেখানে বাদী-বিবাদী, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। রামপুরা থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগকারী যে বাড়িতে থাকেন, আসামিরা সেই বাড়ির মালিকপক্ষ। তাঁরা বাড়ির মালিকের ভাই। মালিক না থাকায় তাঁরাই ওই ছয়তলা বাড়িটির দেখাশোনা করেন। আর ওই নারীর স্বামী ঢাকার বাইরে চাকরি করেন।
ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন জানান, নারীকে উত্ত্যক্ত করার (ইভ টিজিং) অভিযোগে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা মোতাবেক নূর উদ্দীনকে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। অন্যজন অভিযোগ স্বীকার না করায় তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

 সম্মিলিত ওলামা মাশায়েখ পরিষদঃ বিকেলে হরতাল ঘোষণা, সন্ধ্যায় প্রত্যাহার

বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ২৬ ডিসেম্বর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল করার ঘোষণা দিয়েছেলেন সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দিন খান। তবে সন্ধ্যায় সংগঠন থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৬ তারিখের পরে হরতাল আহ্বান করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালনের কথাও বলা হয়।
আজ সোমবার বিকেলে পুরানা পল্টনে মাসিক মদিনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মাওলানা মুহিউদ্দিন খান। শিক্ষানীতির খসড়া সংশোধনের দাবিতে সম্মিলিত ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সদস্যরা দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দিতে যান। তবে মত্স্য ভবন মোড়ে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর বিকেলে পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে মুহিউদ্দিন খান অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের ওপর নির্যাতন করেছে। এর প্রতিবাদে আগামী ২৬ ডিসেম্বর হরতাল করা হবে বলে।
মুহিউদ্দিন খান বলেন, ‘যদি জানতাম স্মারকরিপি দিতে গিয়ে বর্বরতা শিকার হতে হবে, তাহলে আমরাও সেভাবে যেতাম, সিন ক্রিয়েট করতাম।’ এরপর কাল মঙ্গলবার বিক্ষোভ ও সামনে হরতাল করার ঘোষণা দেন তিনি। কবে হরতাল দেবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কয়েকজন সহকর্মী হজে গেছেন। এখনো তারা আসেননি। ডিসেম্বরে অনেক স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা, বার্ষিক পরীক্ষা আবার বিজয় দিবস আছে। সব শেষ হয়ে আসলে ২৬ ডিসেম্বর দেশব্যাপী হরতাল।
পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘কাল থেকে লাগাতার বিক্ষোভ করব, দেখি কয় দিন বানচাল করতে পারে। মসজিদে মসজিদে আলোচনা করব, দেখি কয়টা মসজিদ দখল করতে পারে।’
পরিষদের নেতা ও খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. ইসহাক বলেন, ‘আমরা তো গোলমাল করতে যাইনি। ৬০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। অন্তত হাজারবার স্মারকলিপি দিয়েছি। এটি একটি গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। কিন্তু পুলিশ এতটাই মারমুখি ছিল যে দাঁড়াতেই পারলাম না।’
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অশোভন আচরণকারী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, আবদুল লতিফ নেজামী, যাইনুল আবেদীন, আলমগীর মজুমদার, মহিউদ্দিন রব্বানী, খলিলুর রহমান মাদানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তবে সন্ধ্যায় ওলামা মাশায়েখ পরিষদ যে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দিয়েছে তাতে দাবি করা হয়, মত্স্য ভবনের সামনে পুলিশ ওলামা-মাশায়েখদের ওপর লাঠিপেটা করেছে। এরপর ওলামা নেতারা হেঁটে প্রেসক্লাবে এলেও তাঁদের সেখানে ঢুকতে বা রাস্তায় দাঁড়াতে দেয়নি পুলিশ। এরপর বলা হয়, পরবর্তী সময়ে তাঁদের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী আগামীকাল বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ২৬ তারিখের পরে হরতাল।
সংবাদ সম্মেলন ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুই ধরনের বক্তব্যের বিষয়ে পরিষদের নেতা ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, ‘ঠিক নির্দিষ্ট করে তারিখের ঘোষণা করা হয়নি। তবে ২৫ তারিখের পর যেকোনো দিন হরতাল করব।’
তবে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবলী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুপুরে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয় থেকে নিজ বাসভবনে যাবেন। তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবেই সেখানে কাউকে দাঁড়াতে দেইনি।’
জানা গেছে, পুলিশ সংগঠনের ব্যানার কেড়ে নিয়ে তাঁদের ধাক্কা দিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় কর্মীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল মারে। ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সংসদে প্রশ্নোত্তরঃ জানুয়ারিতে রাজধানীতে দ্বিতল সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু

যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন, আগামী জানুয়ারিতে রাজধানীতে দ্বিতল সড়ক (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আর এটাই হবে রাজধানীর যানজট নিরসনের সবচে বড় অস্ত্র। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সাংসদ মজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-সাতরাস্তা-মগবাজার রেল করিডর-খিলগাঁও-কমলাপুর-গোলাপবাগ-চট্টগ্রাম রোড (কুতুবখালী) রুটে এই দ্বিতল সড়ক নির্মিত হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণের জন্য দাতাদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার কোটি টাকা পাওয়া গেছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে পাশ্ববর্তী দেশগুলোর ব্যবহারের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ কাজ বাস্তবায়ন করছে।
সাংসদ বজলুল হক হারুনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপোতে ২১৬টি যাত্রীবাহী বাস অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অকেজো বাসগুলোর মধ্যে বেশকিছু বাসের মেরামত অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়। অকেজো যাত্রীবাহী বাসগুলোর মধ্যে থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বাসগুলো দ্রুত মেরামত করে সচল করার পরিকল্পনা আছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের আড়াই হাজার একরের চেয়েও বেশি জায়গা অবৈধ দখলে আছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আবুল হোসেন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সরকার মহাসড়কটি দুই লেন থেকে চার লেনে করার কাজ শুরু করেছে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বন্দর ব্যবহারের বিনিময়ে রড রপ্তানির সুযোগ দাবি

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুবিধার বিনিময়ে বিনাশুল্কে ভারতে রড রপ্তানির সুযোগ চান সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সোমবার তারা বিষয়টি বাণিজ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। বাংলাদেশ অটো রি-রোলিং এন্ড স্টিল মিলস্ অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিনিধি দল বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের সঙ্গে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে দেখা করে এ বিষয়ে সরকারের সহায়তা চান। ভারতে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার রড রপ্তানি করা সম্ভব বলে জানান সংগঠনের মহাসচিব আবুল কাশেম মজুমদার।
আবুল কাশেম মন্ত্রীকে জানান, বর্তমানে দেশের স্টিল ও রি-রোলিং মিলগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮০ লাখ মেট্রিক টন। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ৪০ ভাগ (৩২ লাখ মেট্রিক টন) রড উৎপাদিত হচ্ছে। তবে দেশে রডের চাহিদা ২০ লাখ মেট্রিক টন হওয়ায় বছরে ১২ লাখ মেট্রিক টন রড উদ্বৃত্ত থেকে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। দেশে বর্তমানে ৪৩টি অটো রি-রোলিং এবং প্রায় আড়াইশটি রি-রোলিং মিল রয়েছে।

বর্তমানে ভারত বিপুল পরিমাণ শুল্ক আরোপ করায় এবং আমাদের এসএম প্রডাক্টের টেস্টিং রিপোর্ট গ্রহণ না করায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে রড রপ্তানি করা যাচ্ছে না বলে জানান স্টিল মিলস্ এসোসিয়েশনের মহাসচিব। তিনি মন্ত্রীকে বলেন, "ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিপরীতে সরকারের উচিৎ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে বিনাশুল্কে রড রপ্তানির সুযোগ আদায় করা।"

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এমএস রড রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের রড টেস্টিং ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। এতে রডের মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি দেশের চাহিদা মিটিয়ে রড রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রীর এ বক্তব্য জানানো হয়।

বৈঠকে উত্থাপন করা রড ব্যবসায়ীদের অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে, স্টিল ও রি-রোলিং মিলের কাঁচামাল মেল্টিং স্ক্র্যাপ ও রি-রোলেবল স্ক্র্যাপ আমদানি পর্যায়ে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) প্রথা রহিত করা, এ শিল্পের যাবতীয় কাঁচামাল, কেমিক্যাল ও যন্ত্রপাতির উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করা, বন্দরে অতিরিক্ত চার্য আদায় বিলোপ করা ইত্যাদি।

উপজেলা আইন সংশোধনে বিলঃ জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা যাবে

উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী সদস্যদের অপসারণের বিধান রেখে আজ সোমবার জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০১০ উত্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিলটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে, রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হলে, ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলে, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে, শারীরিক ও মানসিকভাবে অক্ষম হলে, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ছিলেন প্রমাণিত হলে এবং বার্ষিক ১২টি সভার মধ্যে নয়টি সভায় গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া যোগদানে ব্যর্থ হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী সদস্যদের তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করতে পারবে।
তবে অপসারণের আগে উপজেলার জনপ্রতিনিধিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। আর অপসারণ আদেশের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অপসারিত ব্যক্তি সরকারের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রস্তাবিত আইনে আরও বলা হয়েছে, কোনো জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপসারণের কাজ শুরু হলে এবং আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আমলে নিলে, সরকার সেই ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে অপসারণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে প্যানেল চেয়ারম্যানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব সম্পর্কে প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, নির্বাহী কর্মকর্তা পরিষদের মুখ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা দেবেন।
বিলটির ব্যাপারে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাংসদ রাশেদ খান মেনন বলেন, উপজেলা আইন নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তিনি বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য আবারও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে উপস্থাপনের প্রস্তাব করেন।
তবে তাঁর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, বিলটি কমিটিতে পাঠানো হলে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়াও আজ সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে বর্ডার গার্ড বিল-২০১০, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিল-২০১০, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল বিল-২০১০, ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল-২০১০-এর প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা হয়।