Friday, December 31, 2010

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে

সাম্প্রতিক মাসগুলোয় তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। ২০১০ সালের আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থানে ছিল। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর পেছনে ছিল বাংলাদেশের নাম।

কিন্তু মাসভিত্তিক রপ্তানির হিসাবে সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ মেক্সিকোকে পেছনে ফেলে দেয়। ওই মাসে বাংলাদেশ ৩৫৮ ও মেক্সিকো ৩২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি করে। এরপর অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ অপর প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানিমূল্যকে ছাড়িয়ে যায়। সে সময় বাংলাদেশের ৩৭৪ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানির বিপরীতে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি ছিল ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে শুধু চীন ও ভিয়েতনাম অগ্রবর্তী অবস্থানে রয়েছে।
ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের বাণিজ্যিক উইংয়ের পর্যালোচনা মোতাবেক ২০১০ সালের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশ প্রায় ১ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে, যা বিগত ২০০৯ সালের একই সময়ের রপ্তানির তুলনায় ২০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, একই সময়ে চীনের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিল ২১ দশমিক ১৫, ভিয়েতনামের ১৭ দশমিক ২৬, ইন্দোনেশিয়ার ১৬ দশমিক ১৭, মেক্সিকোর সাড়ে ৩ এবং ভারতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। তথ্য বিবরণী।

উত্তর লেখা ছিল প্রশ্নের পাশেই!

প্রশ্ন করা হয় উত্তর পাওয়ার আশায়। কিন্তু প্রশ্নের সঙ্গেই যদি উত্তর জানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আর প্রশ্ন করা কেন? কেউ প্রত্যাশা না করলেও সে কাজটিই করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা গেছে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শুক্রবার সকালে প্রথম বর্ষের (সম্মান) ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের মোট চারটি সেট পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। এর মধ্যে ‘ডি’ সেটের ২৫ থেকে ৪১ নম্বর পর্যন্ত মোট ১৭টি প্রশ্নের সঙ্গে সম্ভাব্য চারটি উত্তর আছে। এর মধ্যে যেটি সঠিক উত্তর, সেটির পাশে একটি পৃথক কলামে সেটি লিখে দেওয়া আছে।
যেমন ৩৯ নম্বর প্রশ্নটি ছিল: O' Henry is one of the famous short story writers in- A. Australia, B. America, C. England, D. Spain. এই প্রশ্নের পাশেই আলাদা কলামে লেখা আছে B.
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, ‘ডি’ সেট পাওয়া পরীক্ষার্থীদের ওই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে কোনো বেগ পেতে হয়নি। কেননা, প্রশ্নগুলোর উত্তর পাশে লিখে দেওয়া আছে। এ জন্য যারা ‘ডি’ সেট পেয়েছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে উত্তরপত্র জমা দিয়ে দেন। এতে অন্য সেটের পরীক্ষার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এক ঘণ্টার পরীক্ষার শেষ দিকে বিষয়টি হলের পরিদর্শকদের নজরে আসে। তাত্ক্ষণিকভাবে তাঁরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরিদর্শকেরা পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে উত্তরপত্রের সঙ্গে প্রশ্নপত্রটিও জমা রেখে দেন।
উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী ‘ডি’ সেটের প্রশ্নপত্রে ১৭টি প্রশ্নের সঙ্গে উত্তর ছাপা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি নিছক ভুল। আমরা তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছি। এই ভুলের কারণে কোনো পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না কিংবা কেউ বেশি সুবিধাও পাবে না।’

ফিক্সিং বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন ইয়াসির হামিদ

‘পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি নতুন নয়। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গড়াপেটা করে থাকেন ক্রিকেটাররা,’ স্পন্সরশিপ চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে ইয়াসির হামিদের মুখ থেকে গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে এমন কয়েকটি বিস্ফোরক কথা বের করেছিলেন লর্ডস টেস্টে স্পট কেলেঙ্কারি ফাঁস করা ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের এক সাংবাদিক। প্রায় চার মাস পর আজ শুক্রবার সকালে সেই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ইন্টিগ্রিটি কমিটির সামনে হামিদ বলেন, ‘আমাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু অপরিচিত কারও সঙ্গে ওসব বলা আমার উচিত হয়নি। এ ঘটনায় যেসব ক্রিকেটার দুঃখ পেয়েছেন, তাঁদের সবার কাছেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমি।’
পুরো ঘটনার ভিডিও থাকার পরও নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনকে প্রথমে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইয়াসির। কিন্তু পরদিনই লন্ডনে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনে হাজির হয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন তিনি। সেখানে পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার দাবি করেন, আবিদ খান পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাঁকে ৫০ হাজার পাউন্ডের স্পন্সরশিপ চুক্তির প্রস্তাব দেন। কথা বলার একপর্যায়ে দলের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় বলে ফেলেন তিনি। ইংল্যান্ডে সেই সফরের পর থেকেই পাকিস্তান দলের বাইরে আছেন ইয়াসির।—ক্রিকইনফো।

ফিক্সিং বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন ইয়াসির হামিদ

‘পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি নতুন নয়। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গড়াপেটা করে থাকেন ক্রিকেটাররা,’ স্পন্সরশিপ চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে ইয়াসির হামিদের মুখ থেকে গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে এমন কয়েকটি বিস্ফোরক কথা বের করেছিলেন লর্ডস টেস্টে স্পট কেলেঙ্কারি ফাঁস করা ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের এক সাংবাদিক। প্রায় চার মাস পর আজ শুক্রবার সকালে সেই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ইন্টিগ্রিটি কমিটির সামনে হামিদ বলেন, ‘আমাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু অপরিচিত কারও সঙ্গে ওসব বলা আমার উচিত হয়নি। এ ঘটনায় যেসব ক্রিকেটার দুঃখ পেয়েছেন, তাঁদের সবার কাছেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমি।’
পুরো ঘটনার ভিডিও থাকার পরও নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনকে প্রথমে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইয়াসির। কিন্তু পরদিনই লন্ডনে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনে হাজির হয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন তিনি। সেখানে পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার দাবি করেন, আবিদ খান পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাঁকে ৫০ হাজার পাউন্ডের স্পন্সরশিপ চুক্তির প্রস্তাব দেন। কথা বলার একপর্যায়ে দলের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় বলে ফেলেন তিনি। ইংল্যান্ডে সেই সফরের পর থেকেই পাকিস্তান দলের বাইরে আছেন ইয়াসির।—ক্রিকইনফো।

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ভবনে আগুন

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দরটিলা এলাকায় অবস্থিত নৌবাহিনীর একটি ভবনে শুক্রবার আগুন লেগে কয়েক লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ইপিজেড ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার এম এ মালেক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে একথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বন্দর থানাধীন বন্দরটিলা এলাকার ২ নম্বর নেভি গেইটের ভেতরে একটি দোতলা ভবনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ওই আগুন লাগে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিটের তিনটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩টার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

নৌবাহিনীর দোতলা ভবনটিতে তাদের পুরাতন বিভিন্ন মালামাল রাখা হতো। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দমকল কর্মকর্তা মালেক বলেন, "আগুনো তাদের পুরনো বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও অন্যান্য সরঞ্জাম পুড়ে গেছে বলে নৌ কর্মকর্তারা আমাদের জানিয়েছেন। তার বলছেন, আগুনে প্রায় আট লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।"